শিলিগুড়ি

কেন্দ্র ও রাজ্যের নীতির বিরুদ্ধে এবার আইন অমান্যের পথে প্রদেশ কংগ্রেস

কৃষ্ণা দাস, শিলিগুড়িঃ  কেন্দ্রের বিজেপি ও রাজ্যের তৃণমূলের বিরুদ্ধে একযোগে আইন অমান্যের পথে হাটতে চলেছে রাজ্য প্রদেশ কংগ্রেস। সেইমত জেলায় জেলায় আইন অমান্য কর্মসূচির ডাক দিয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস। আগামী১৭ জানুয়ারী মহকুমা শাসকের অফিসে অভিযান চালিয়ে আইন অমান্য করতে চলেছে কংগ্রেস। শনিবার এক সংবাদিক সম্মেলন করে আইন অমান্য কর্মসুচি জানালেন দার্জিলিং জেলার কংগ্রেস সভাপতি শংকর মালাকার। তার সাথে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক সুবীল ভৌমিক। শংকর বাবু এদিন বলেন, সারাদেশে বিজেপির সাম্প্রদায়িক বিষ ছড়ানো, রামের নামে যাত্রা, সমাজকে দ্বিখণ্ডিত করা এবং গত সাড়ে চার বছরে ভারতবর্ষের মানুষকে ধোকা দেওয়া এবং বাংলায় তৃণমূলের স্বৈরাচারী গণতান্ত্রিক হত্যাকারী এবং বিরোধীদের প্রতি দমন-পীড়ন এবং দুর্নীতি তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে প্রদেশ কংগ্রেস জেলায় জেলায় আইন অমান্য কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। দার্জিলিং জেলায় ১৭ জানিয়ারী  ই জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টায় মহানন্দা নদীর বিসর্জন হয় সেখানে কংগ্রেস কার্যকর্তারা জমায়েত হবে এবং সেখান থেকে মিছিল করে শিলিগুড়ি মহকুমা শাসকের অফিসে অভিযান করবে এবং এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন রাজ্য কংগ্রেসের সভাপতি সৌমেন মিত্র বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান, প্রদেশ কংগ্রেসের ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট দীপা দাশমুন্সি, প্রদীপ ভট্টাচার্য্য এবং এআইসিসির সভাপতি গৌরভ গোগোই। অধীর চৌধুরীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।   সম্প্রতি তার স্ত্রী বিয়োগ হয়েছে। তাই শোক কাটিয়ে হয়তো তিনি সে সময় উপস্থিত থাকবেন। লোকসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ইতিমধ্যে কংগ্রেস রাস্তায় নামা শুরু করে দিয়েছে।  তিনি জানান, ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত জেলাতে আইসিসির নেতৃত্ব এবং প্রদেশ নেতৃত্ব ব্লক স্তর থেকে শুরু করে অঞ্চল ও জেলা স্তর পর্যন্ত চষে বেড়াচ্ছে। তিনি গর্ব করে বলেন, আমরা মনে করি ভারতবর্ষের জাতীয় কংগ্রেস হচ্ছে একমাত্র বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য  রাজনৈতিক দল। আমরা মনে করি দেশের মানুষ ও রাজ্যের মানুষ কংগ্রেসকে ফিরে পেতে চায়। তিনি জানান, সামনে লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস এককভাবে লড়াই করে নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য সব রকম কর্মসূচি নিয়েছে। তবে বিজেপি এবং তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে অন্য কোনো ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির সাথে আলোচনা হতেই পারে। তিনি বলেন, বিজেপির বিরুদ্ধে তৃণমূল নয়। দিদিভাই ও মোদি ভাই টাকার এপিঠ আর ওপিঠ। তিনি কটাক্ষ করে বলেন,  বিজেপি ধাপ্পাবাজির সরকার। পশ্চিমবঙ্গ সরকার হল চমকদার সরকার। শুধু চমক দাড়ি নীল সাদা রং ও খেলা-মেলা উৎসব করে সাড়ে সাত বছর কাটিয়ে দিল। বাংলা যেখানে ছিল সেখানেই রয়ে গেল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *